রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর গুরুত্বপুর্ন ৫৫টি হাদিস।
১/ তোমার ঈমান কে খাঁটি করো অল্পো আমলেই নাজাতের জন্য যথষ্ট হইবে ।
২/ তোমাদের মধ্যে সর্ব উওম ঐ ব্যাক্তি যে কোরআন মাজিদ শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয় ।
৩/ দিনি এলেম তলব করা প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরজ ।
৪/ পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ ।
৫/ নামাজ বেহেশতের চাবি ।
৬/ কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব হবে ।
৭/ দোয়াই এবাদত ।
৮/ যে বেক্তি আল্লাহর নিকট দোয়া করেনা আল্লাহ তায়ালা তাহার উপর রাগান্বিত হয় ।
৯/ আল্লাহ তায়ালা ঐ ব্যাক্তির উপর রহম করে না যে মানুষের উপর রহম করে না ।
১০/ দুনিয়ার মহব্বত সমস্ত গুনাহের মুল ।
১১/ খাঁটি মুসলমান ঐ বেক্তি যার হাত ও মুখ থেকে অপর মুসলমান নিরাপদ থাকে ।
১২/ ঈমানদার দের জন্য মৃত্যু উপহার সরুপ ।
১৩/ যাহাই শুনে তাহাই বলিতে থাকা কোন ব্যক্তির জন্য মিথ্যা বাদি হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট ।
১৪/ হারাম ভক্ষন কারির শরির বেহেশতে প্রবেশ করিবেনা ।
১৫/ যে চুপ থাকে সে নাজাত পায় ।
১৬/ সমস্ত কাজেই ন্যিয়তের উপর নির্ভর।
১৭/ আমার পক্ষ হইতে একটি বানী হইলে ও মানুষের নিকট পৌঁছিয়ে দাও ।
১৮/ চোগল খোর পরোনিন্দা কারি বেহেশতে প্রবেশ করিতে পারবেনা ।
১৯/ আত্মিয়তা ছিন্ন কারি বেহেশতে প্রবেশ করিবেনা ।
২০/ জুলুম কেয়ামতের দিন ভীষণ অন্ধকার হয়ে দেখা দিবে।
২১/ প্রকৃত ধনী হলো আত্মার ধনী ।
২২/ চাচা বাপের মতো ।
২৩/ প্রতিটি মুসলমান মুসলমানের ভাই ।
২৪/ আল্লাহ তায়ালার নিকট সব চেয়ে প্রিয় জায়গা মসজিদ এবং সব চেয়ে খারাপ জায়গা বাজার ।
২৫/ হিংসা হইতে দুরে থাক কেননা হিংসা নেকিকে ধংংস করে দেয় ।
২৬ /তোমরা অধিক পরিমাণে মৃত্যুকে সরণ করো কেননা মৃত্যু দুনিয়ার সাধকে ধংস করে দেয় ।
২৭/ যে বেক্তি কোনো মোসলমানের দোষ গোপন রাখে আল্লাহ তায়ালা দুনিয়া ও আখেরাতে তাহার দোষ গোপন রাখিবে ।
২৮/ কবর কে সেজদা করিইওনা ।
২৯/ দুনিয়াতে এমনি ভাবে থাকো যেমনি কোনো মুসাফির বা পথিক থাকে।
৩০/ আলেমগন আম্বিয়াদের ওয়ারিস ও উত্তরসূরী ।
৩১/ যে বেক্তি কোন ভালো কাজের পথ দেখায় সে ঐ ভালো কাজ করার ছোয়াব পায় ।
৩২/ চোখের যেনা হলো দেখা ।
৩৩/যে নমরতা হইতে বঞ্চিত সে কল্লান হইতে বঞ্চিত।
৩৪/ ঐ বেক্তি বীর নয় যে মানুষ কে ভু লন্ঠিত করে বরং বীর ঐ বেক্তি যে ক্রদের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে ।
৩৫/ যদি তোমার লজ্জা না থাকে তা হলে তুমি যা৷ ইচ্ছা তাই করিতে পারো ।
৩৬/ আল্লাহ তায়ালার নিকট ঐ আমল সব চেয়ে প্রিয় যে আমল সর্বদা করা হয় । যদিও তাহা অল্প হয় ।
৩৭/ তোমাদের মধ্য ঐ বেক্তি আমার কাছে সব য়ে প্রিয় যে সব চেয়ে বেশি চরিত্র বান ।
৩৮/ দুনিয়া মুসলমানের জন্য কয়েদি খানা আর কাফেরদের জন্য বেহেশতো খানা ।
৩৯/ কোন বেক্তির জন্য তাহার অন্য কোন ভাইয়ের সহিত তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন করিয়া থাকা জায়েজ নাই ।
৪০/ কোন মুমিন একেই গর্তে দুইবার দংশিত হয় না ।
৪১/ঐ বেক্তি বেহেশতে প্রবেশ করিতে পারিবেনা যাহার প্রতিবেশি তাহার থেকে নিরাপদ নয় ।
৪২/কবিরা গুনা হইলো আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা । অন্যয় ভাবে কাউকে মেরে ফেলা । পিতা মাতার অবাধ্য হওয়া । মিথ্যা সাক্ষি দেওয়া ।
৪৩/ নামাজের কাতার সোজা করো নতুবা আল্লাহ তোমাদের চেহেরা পরিবর্তন করে দিবে।
৪৪/ বিবাদ সৃষ্টি কারি আল্লাহ তায়ালার নিকট সব চেয়ে বেশি গৃনিত ।
৪৫/ যে বেক্তি আমার উপর একবার দুরুদ পাঠায় আল্লাহ তায়ালা তাহার উপর ১০ বার রহমত পাঠায় ।
৪৬/ যেই বেক্তি এলেম শিখার জন্য কিছু পথ অতিক্রম করে আল্লাহ তায়ালা তাহার বেহেশতে যাওয়ার পথ সহজ করে দেয় ।
৪৭/ তোমরা ফরজ এবং কোরআন মজিদ শিক্ষা করো এবং অন্যকে শিক্ষা দাও আমি চিরকাল থাকবো না ।
৪৮/ মুসলমান কে গালি দেওয়া ফাসেকি আর মেরেফেলা কুফুরি ।
৪৯/ মুমীনদের মধ্যে পরিপুর্ন ঐ বেক্তি যে ওধিক চরিত্র বান ।
৫০/ যেই মহিলা ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়িবে এবং রমজান মাসে রোজা রাখিবে ও লজ্জাস্তানকে হেফাজাত করবে এবং সামির এতায়েদ করবে সে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারিবে । জান্নাতের ৮টি দরজা তার জন্য খোলা থাকবে ।
৫১/ যেই মহিলার মৃত্যু এমন অবস্থায় হইবে যে তাহার সামি তাহার উপর সন্তুষ্টি ছিল সে বেহেশতি ।
৫২/ যেই বেক্তি বিনা ওজরে দুই ওয়াক্ত নামাজ একসাথে পড়লো সে একটি কবিরা গুনার মধ্যে প্রবেশ করলো ।
৫৩/যে বেক্তি আল্লাহর নিকট দোয়া করেনা আল্লাহ তায়ালা তাহার উপর রাগান্বিত হয়।
৫৪/ আল্লাহ ক্ষমাশিল তিনি ক্ষমা কারি ।
৫৫/ হে আল্লাহ আমার গুণা আপনার ক্ষমা হইতে অনেক বেশি । এবং আপনার দয়া আমার আমল অপেক্ষা খুব বেশি আশার বস্তুু । হে আল্লাহ আমাদেরকে উক্ত হাদিস গুলো মেনে ছলার তৌফিক দান করুন । আমিন ।
Post a Comment